উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত ভঙ্গুর অর্থনীতি, বৈশ্বিক অস্থিরতা আর জ্বালানি সংকটের ধাক্কা সামলাতে হচ্ছে নতুন সরকারকে। কিন্তু পূর্ববর্তী সরকারের অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য ও নথি প্রকাশ না করায় অর্থনীতির পুনরুদ্ধার নিয়ে স্বচ্ছতা ও সংস্কারের অভাব উদ্বেগজনক।
সোমবার (২৪ আগস্ট) সকালে রাজধানীতে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডির) আয়োজনে ‘নতুন সরকারের প্রথম ছয় মাস: একটি অর্থনৈতিক পর্যালোচনা’ শীর্ষক সংলাপে এমন মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।
সিপিডি জানায়, সরকার করছাড় ও বাণিজ্য চুক্তির ক্ষেত্রে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিলেও উদ্বেগের জায়গাও রয়েছে। অর্থনীতির ৩১টি সূচকের ১৯টিই অবনমন ঘটেছে।
ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য জানান, গেলো ৬ মাসে গ্যাস সংকটের কারণে তিনটি শিল্পাঞ্চলে প্রায় একশ কারখানা বন্ধ হওয়ায় ৬২ হাজার শ্রমিক কর্মহীন। শিল্পখাতে উৎপাদন সূচক প্রায় শূন্যে ঠেকেছে। সার কারখানায় উৎপাদন কমে যাওয়ায় কৃষিতে বিরূপ প্রভাবের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার প্রথমার্ধে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নেমে এসেছে ২.২২ শতাংশে, যা চলতি বছরে সর্বনিম্ন। রাজস্ব আদায়ের যে হার তাতে চলতি অর্থবছরেও ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা ঘাটতি হতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নরকে সরানোর প্রক্রিয়া, বিভিন্নস্থানে মব কার্যক্রমের সমালোচনা করেন এই অর্থনীতিবিদ। তার মতে, ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন।

