কুড়িগ্রামে এক সপ্তাহ লোডশেডিংয়ের শঙ্কা

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৭

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিসিবি)-এর আওতাধীন ‘পাওয়ার গ্রিড নেটওয়ার্ক স্ট্রেংথেনিং (জি-টু-জি)’ প্রকল্পের নির্মাণকাজের জন্য রংপুর-কুড়িগ্রাম, রংপুর-লালমনিরহাট ও রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনে পর্যায়ক্রমে শাটডাউন দেওয়া হবে। এর ফলে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো)-এর আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় আংশিক লোডশেডিং হতে পারে।

রোববার (২৬ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন নেসকোর কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম।

পত্রে বলা হয়, রংপুর ২৩০/১৩২ কেভি জিআইএস গ্রিড উপকেন্দ্রের নির্মাণকাজ নিরাপদ ও নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন করতে সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রংপুর-লালমনিরহাট ১৩২ কেভি এবং রংপুর-তারাগঞ্জ ১৩২ কেভি সার্কিট-১ সঞ্চালন লাইন শাটডাউনে থাকবে।

এ ছাড়া আগামী ২৯ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত রংপুর-কুড়িগ্রাম ১৩২ কেভি সঞ্চালন লাইনও শাটডাউনে রাখা হবে।

এ সময় নেসকোর আওতাধীন সংশ্লিষ্ট ৩৩ কেভি ফিডারের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকায় আংশিক লোডশেডিংয়ের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বিকল্প উৎস থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহের সুযোগ থাকলে প্রয়োজন অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

নেসকোর কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী সিরাজুল ইসলাম বলেন, সঞ্চালন লাইনের উন্নয়নকাজের কারণে জেলায় প্রায় এক সপ্তাহ লোডশেডিং হতে পারে। এর প্রভাব নেসকো ও পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহক—উভয় পক্ষই অনুভব করবেন। তিনি জানান, ৫ আগস্টের পর সঞ্চালন ব্যবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার কথা রয়েছে।

ইত্তেফাক/আইএ