ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ ২০১৩, ২৩ ফাল্পুন ১৪১৯, ২৪ রবিউস সানি ১৪৩৪
সর্বশেষ সংবাদ সংকট মোকাবেলায় আলোচনার বিকল্প নেই: সৈয়দ আশরাফ | চাঁপাইনবাবগঞ্জে যুবলীগ কর্মী নিহত | শনিবার ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে | ইটালির সাবেক প্রধানমন্ত্রী বার্লুসকোনির এক বছরের জেল | ছাড়া পেলেন বিএনপির চার নারী এমপি | হরতালে বাসে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ
প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরি
৩৪তম বিসিএস পরীক্ষা
সরকারি চাকরি করার ইচ্ছা যাদের রয়েছে, তারা সকলেই অপেক্ষা করে থাকেন বিসিএস পরীক্ষার। বিসিএস পরীক্ষা দিয়েই সুযোগ রয়েছে ২৮টি সাধারণ ক্যাডারে এবং বিভিন্ন প্রফেশনাল ক্যাডারে প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার। একদিকে সরকারি চাকরির সারা জীবনের নিশ্চয়তা, অন্যদিকে প্রথম শ্রেণির চাকরিজীবীর ক্ষমতা—সবমিলিয়ে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য এর চেয়ে ভালো বিকল্প অনেকেই খুঁজে পান না। বিসিএস দিয়ে চাকরি পাওয়াই তাই অনেকেরই ধ্যান-জ্ঞান। তারা এবার ঝাঁপিয়ে পড়তে পারেন যুদ্ধে। ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়েছে। বিস্তারিত জানাচ্ছেন তরিকুর রহমান সজীব

প্রতিযোগিতার এই যুগে এসে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য এখন অনেকেই অনেক দিকে ঝুঁকে পড়েন। কেউ কেউ বেসরকারি চাকরিকে আবার কেউ মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে আবার কেউ ব্যাংকে চাকরি করার জন্য শুরু থেকেই মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। কেউ কেউ আত্মকর্মসংস্থানের বিষয়েই নিবিষ্ট থাকেন। তবে এর মাঝেও সরকারি চাকরির প্রতি মানুষের আগ্রহের কমতি নেই। বিশেষ করে সরকারি ব্যাংক বা অন্যান্য সরকারি চাকরিকেই অনেকেই এখনও প্রথম এবং চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবেই গ্রহণ করে থাকে। চাকরির বাজারের এই ধরনের পরিস্থিতিতে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে অনেক চাকরি সময়ের সাথে সাথে হারিয়েছে মর্যাদা। তবে যেসব চাকরি কোনোদিনই তার মর্যাদা হারায়নি, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে পাওয়া প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরি। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সহকারী পুলিশ সুপার, সহকারী সচিব, সহকারী কর কমিশনারসহ নানা ধরনের লোভনীয় সব পদের জন্য বিসিএস ছাড়া গত্যান্তর নেই। তাই স্নাতক পর্যায়ে পড়ালেখা করার সময় থেকেই অনেকে প্রস্তুতি নিতে থাকেন বিসিএস পরীক্ষার জন্য। এরকম যারা রয়েছেন, তাদের জন্য সুখবর—আবারও বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন।

একটা সময় পর্যন্ত বিসিএস পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হত দীর্ঘদিন পরপর। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই চিত্রটি পাল্টে গেছে। একদিকে বর্তমানে ৩২তম বিসিএস পরীক্ষার মৌখিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। অন্যদিকে ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষার ফলাফলের অপেক্ষায় রয়েছেন প্রার্থীরা। এর মাঝেই ৩৪তম এই বিসিএস পরীক্ষার বিজ্ঞাপন নিয়ে হাজির হয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন। দুই সহস্রাধিক খালি পদের জন্য এই বিজ্ঞাপন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন।

কোন ক্যাডারে কয়টি পদ

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সর্বমোট ২৮টি ক্যাডারে জনবল নিয়োগ দিয়ে থাকলেও এবারের ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষায় সাধারণ ক্যাডার বা জেনারেল ক্যাডারের ১২টি ক্যাডারে খালি পদের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ পেয়েছে। এর বাইরে প্রফেশনাল ক্যাডার এবং সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার মিলিয়ে সর্বমোট খালি পদের সংখ্যা ২,০৫২টি। এর মধ্যে সাধারণ ক্যাডারে খালি পদের সংখ্যা ৪৪২টি, প্রফেশনাল ক্যাডারে খালি পদের সংখ্যা ৪৮৭টি এবং সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে খালি পদের সংখ্যা ১,১২৩টি। সাধারণ ক্যাডারের মধ্যে বরাবরের মতোই সবচেয়ে বেশি খালি পদ রয়েছে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারে। এই ক্যাডারে খালি পদের সংখ্যা ২০০টি। পদ সংখ্যায় এর পরেই রয়েছে বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডার, যাতে খালি পদের সংখ্যা ৮০টি। বিসিএস (কর) ক্যাডারে খালি পদের সংখ্যা ৩৭টি। অন্যদিকে তরুণদের মধ্যে চাহিদাসম্পন্ন বিসিএস (পররাষ্ট্র) ক্যাডারেও রয়েছে ২৫টি খালি পদ। এর বাইরে বিসিএস (আনসার) ক্যাডারে ২২টি, বিসিএস (নিরীক্ষা ও হিসাব) ক্যাডারে ৫টি, বিসিএস (সমবায়) ক্যাডারে ৩টি, বিসিএস (ইকনমিক) ক্যাডারে ১৩টি, বিসিএস (খাদ্য) ক্যাডারে ৫টি, বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারের তিনটি অংশমিলিয়ে মোট ৩৯টি, বিসিএস (পরিবার পরিকল্পনা) ক্যাডারে ১০টি এবং বিসিএস (ডাক) ক্যাডারে রয়েছে ৩টি খালি পদ।

প্রফেশনাল ক্যাডারের মধ্যে বিসিএস (মত্স) ক্যাডারে ৩১টি; বিসিএস (পশু সম্পদ) ক্যাডারের দুইটি অংশ মিলিয়ে ৭৬টি; বিসিএস (কৃষি) ক্যাডারের তিনটি অংশ মিলিয়ে ২১টি; বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে ২৭২টি ও সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৫৫টি; বিসিএস (তথ্য) ক্যাডারে ২২টি; বিসিএস (রেলওয়ে প্রকৌশল) ক্যাডারে ৩টি; বিসিএস (গণপূর্ত) ক্যাডারের দুইটি অংশে ৬টি এবং বিসিএস (পরিসংখ্যান) ক্যাডারে ১টি খালি পদ রয়েছে। এর বাইরে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের সরকারি সাধারণ কলেজগুলোর জন্য ২৮টি বিষয়ে প্রভাষকের পদ খালি রয়েছে ১,০৬৯টি। অন্যদিকে একই ক্যাডারের শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলোর জন্য ১৪টি বিষয়ের প্রভাষকের পদ খালি রয়েছে ৫৪টি। তবে পরীক্ষা শেষ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে হতে যেকোনো কারণে এই পদ সংখ্যা বাড়তে পারে।

আবেদনের শুরু

৭ ফেব্রুয়ারি এই বিজ্ঞাপন প্রচার হলেও ৩৪তম বিসিএস-এর জন্য আবেদনপত্র পূরণ প্রক্রিয়া সকলের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে ১৮ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায়। আগামী ১৯ মার্চ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে এই পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য। আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে অনলাইনে সরকারি কর্ম কমিশনের নির্ধারিত ফরমের মাধ্যমে। ফরম পূরণ করে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পরে টেলিটক মোবাইল থেকে পরীক্ষার ফি প্রদান করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে। অর্থাত্ কেউ যদি আজ দুপুর একটায় রেজিস্ট্রেশন করেন, তাহলে তাকে ১০ মার্চ দুপুর একটার মধ্যে এই পরীক্ষার ফি প্রদান করতে হবে। সেক্ষেত্রে যারা শেষ দিনে শেষ মুহূর্তে রেজিস্ট্রেশন করবেন, অর্থাত্ ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় রেজিস্ট্রেশন করবেন, তাদের পরীক্ষার ফি জমা দিতে হবে ২২ মার্চ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে। তবে শেষ দিকে গিয়ে দেখা যায় রেজিস্ট্রেশনের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে সার্ভারের উপর চাপ পড়ে বেশি। এ ক্ষেত্রে ঝামেলায় পড়তে হতে পারে। গত বছরেও দেখা গেছে শেষ মুহূর্তে রেজিস্ট্রেশন করতে গিয়ে অনেকেই ঝামেলার মুখে পড়েছেন। অনেকেই শংকায় পড়ে গিয়েছিলেন, তারা পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন কি না এই প্রশ্নে। কাজেই এ ক্ষেত্রে যত আগে সম্ভব রেজিস্ট্রেশন করে নেওয়া ভালো। এখনও ১২দিন সময় রয়েছে হাতে।

আবেদনের নিয়মাবলী

বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নিতে চাইলে সরকারি কর্ম কমিশনের www.bpsc.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে কিংবা রাষ্ট্রায়ত্ত্ব টেলিকম অপারেটর টেলিটকের পিএসসি ওয়েবসাইট http://bpsc.teletalk.com.bd তে গিয়ে এই আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। এই সাইটগুলোতে গেলে পাওয়া যাবে অনলাইনে আবেদনের ফরম (বিপিএসসি ফরম-১)। সরকারি কর্ম কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, গুগল ক্রোম, মজিলা ফায়ারফক্স এবং অপেরা ওয়েব ব্রাউজার থেকে এই ফরম সহজে পূরণ করা যাবে। এর মধ্যেও আবার ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার এবং মজিলা ফায়ারফক্সকে ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বিশেষভাবে। বিপিএসসি ফরম-১ পূরণ করতে হবে কয়েকটি ধাপে। এসব ধাপে নিজের নাম, ঠিকানাসহ ব্যক্তিগত সব তথ্য, শিক্ষাজীবনের তথ্য, বিসিএস পরীক্ষার ক্যাডারগুলোর পছন্দক্রম প্রভৃতি তথ্য সঠিকভাবে প্রদান করে ফরম পূরণ করতে হবে। কোনো একটি ধাপে কোনো সমস্যা হলে একদম শুরু থেকে আবার ফরম পূরণ করতে হবে। প্রতিটি ধাপ শেষ হলেই প্রদান করা তথ্যগুলো দেখানো হবে। কোনো ভুল থাকলে সেগুলো সেখান থেকে সংশোধন করে নেওয়া যাবে। ফরম পূরণ করার সময়ে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। সংশোধনী নোটিশ দেওয়ার সময়েও সতর্কতার সাথে খেয়াল করা দরকার। কেননা ভুল বা অসত্য কোনো তথ্য দিলে এবং পরবর্তীতে তা ধরা পড়লে প্রার্থীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের অধিকার রয়েছে কমিশনের।

সব ধরনের তথ্য দিয়ে ফরম পূরণের পর আসবে ছবি এবং স্বাক্ষর আপলোড করার অংশ। পাসপোর্ট সাইজের ছবি স্ক্যান করে কিংবা পাসপোর্ট সাইজের কোনো ডিজিটাল ছবি থাকলে তা ব্যবহার করতে হবে। স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে তা স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। ছবি হতে হবে ৩০০ পিক্সেল বাই ৩০০ পিক্সেল রেজ্যুলেশনের। আর স্বাক্ষরের রেজ্যুলেশন হবে ৩০০ পিক্সেল বাই ৮০ পিক্সেল। ছবির ফাইলটির সর্বোচ্চ সাইজ হবে ১০০ কিলোবাইট এবং স্বাক্ষরের ফাইলটির সর্বোচ্চ সাইজ হতে পারবে ৬০ কিলোবাইট। ছবি এবং স্ক্যান করা স্বাক্ষর আগে থেকেই রিসাইজ করে নিন প্রয়োজনমতো। সেক্ষেত্রে www.shrinkpictures.com কিংবা www.picresize.com ওয়েবসাইটের সাহায্য গ্রহণ করতে পারেন। ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড করা হলেই আপনাকে একটি ইউজার আইডি (User ID) প্রদান করা হবে। পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার সময়ে কাজে লাগবে এই আইডি।

পরীক্ষার ফি জমা

পরীক্ষার ফি জমা দেওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন হবে টেলিটকের সিম। টেলিটকের যেকোনো নম্বর ব্যবহার করে দুইটি এসএমএস দিয়েই পরীক্ষার ফি জমা দিতে পারবেন। ফি জমা দেওয়ার জন্য প্রথমেই টেলিটক মোবাইলের এসএমএস অপশনে গিয়ে লিখতে হবে BPSCUser ID। আর সেটি পাঠিয়ে দিতে হবে ১৬২২২ নম্বরে। উদাহরণ, Example: BPSC BCSPQBCR। এর উত্তরে টেলিটক থেকে যে এসএমএস আসবে, তাতে লেখা থাকবে 'Applicant's Name, Tk 500 (50Tk for tribal) will be charged as application fee. Your PIN is (8 digit number). To pay fee, type BPSCYesPIN and send to 16222'। এই এসএমএস-এর পরের অংশ অনুযায়ী এসএমএসটি পাঠিয়ে দিলেই টেলিটক থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ ৫০০ টাকা (উপজাতিদের জন্য ৫০ টাকা) কেটে নেওয়া হবে।

প্রবেশপত্র সংগ্রহ

টাকা কেটে নেওয়া হয়ে গেলেই আরেকটি এসএমএস-এর মাধ্যমে আপাকে জানিয়ে দেওয়া হবে একটি ইউজার আইডি (User ID) এবং পাসওয়ার্ড। এই ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে তত্ক্ষণাত্ কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করা যাবে। এই প্রবেশপত্রটিই ব্যবহার করতে হবে ৩৪তম বিসিএস-এর সব ধরনের পরীক্ষায়। কাজেই এটি ডাউনলোড করে প্রিন্ট নেওয়ার পাশাপাশি কম্পিউটারেও সংরক্ষণ করে রাখবেন সতর্কতার সাথে। রেজিস্ট্রেশন, পরীক্ষার ফি জমা দেওয়াসহ অন্যান্য বিষয়ে সকল তথ্য পাওয়া যাবে ৩৪তম বিসিএস-এর বিজ্ঞাপন এবং নির্দেশনাবলীর দুইটি ফাইলে। www.bpsc.gov.bd সাইটে গেলেই পাওয়া যাবে এই দুইটি ফাইল। আবেদন করার পূর্বে ফাইল দুইটি ডাউনলোড করে ভালোভাবে পড়ে নিন। তাতে আপনিই লাভবান হবেন।

৩৪তম বিসিএস-এ আবেদনের জন্য হাতে সময় রয়েছে আর মাত্র ১২ দিন। সময় শেষ হওয়ার আগেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ফেলুন। আর বিসিএস পরীক্ষাকে সহজ করে দেখার কিছু নেই। এর জন্য প্রস্তুতিও শুরু করে দিন এখনই। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিলেই কেবল সফল হতে পারবেন এই পরীক্ষায়। আগ্রহী প্রার্থী যারা রয়েছেন, তাদের সকলের জন্য দৈনিক ইত্তেফাক-এর পক্ষ থেকে রইল শুভকামনা।
( লেখাটি পড়া হয়েছে ১৩৫ বার )
সর্বাধিক পঠিত
অনলাইন জরিপ
আজকের প্রশ্ন
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিবাদের জন্য হরতালের বিকল্প খুঁজতে হবে। তার এই বক্তব্য আপনি যৌক্তিক বলে মনে করেন?
 হ্যাঁ   না   মন্তব্য নেই
মতামত দিনফলাফল
আজকের নামাজের সময়সূচী
মে - ২৫
ফজর৩:৪৭
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৫
মাগরিব৬:৪১
এশা৮:০৩
সূর্যোদয় - ৫:১৩সূর্যাস্ত - ০৬:৩৬
বছর : মাস :
সম্পাদক: আনোয়ার হোসেন। উপদেষ্টা সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিলন। ইত্তেফাক গ্রুপ অব পাবলিকেশন্স লিঃ-এর পক্ষে আনোয়ার হোসেন কর্তৃক ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫ থেকে প্রকাশিত ও মুহিবুল আহসান কর্তৃক নিউ নেশন প্রিন্টিং প্রেস, কাজলারপাড়, ডেমরা রোড, ঢাকা-১২৩২ থেকে মুদ্রিত। কাওরান বাজার ফোন: পিএবিএক্স: ৭১২২৬৬০, ৮১৮৯৯৬০, বার্ত ফ্যাক্স: ৮১৮৯০১৭-৮, মফস্বল ফ্যাক্স : ৮১৮৯৩৮৪, বিজ্ঞাপন-ফোন: ৮১৮৯৯৭১, ৭১২২৬৬৪ ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭২, সার্কুলেশন ফ্যাক্স: ৮১৮৯৯৭৩। e-mail: ittefaq@bangla.net
Copyright The Daily Ittefaq © 2013 Developed By : orangebd.com.