আটক বিএনপির চার নারী এমপি ছাড়া পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ১৮ দলের হরতাল চলাকালে নয়াপল্টনস্থ বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে দলটির চার নারী সংসদ সদস্যকে আটক করেছিল পুলিশ। এরা হলেন, রেহানা আক্তার রানু, সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, শাম্মি আক্তার ও রাশেদা বেগম হীরা। তাদের আটক করা হয়।
এ ব্যাপারে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ জয়নাল আবদিন ফারুক সাংবাদিকদের বলেছিলেন, আটক চার নারী সংসদ সদস্যকে অবিলম্বে মুক্তি না দিলে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঐ চার এমপি দলের কার্যালয়ে ঢুকতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। এসময় মহিলা পুলিশের সাথে তাদের ধস্তাধস্তি হয়। এই ঘটনার পরে পুলিশ তাদের আটক করে নিয়ে যায়। পুলিশের গাড়ির ভেতরেও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে দড়জা খুলে রাস্তায় পড়ে যান শাম্মী আক্তার ও পুলিশ কনস্টেবল শরীফা।
ফারুক বলেন, পুলিশ তাদের যেভাবে টেনে হেঁচড়ে আটক করেছে, তা সাংবাদিকরা দেখেছেন। এভাবে সংসদ সদস্যদের গ্রেফতার নজির বিহীন ঘটনা।'
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সরকার আমাদের কার্যালয় অবরুদ্ধ করে রেখেছে। শান্তিপূর্ণ হরতাল চলছে। এরপরও পুলিশ-র্যাবসহ ক্ষমতাসীন দলের সন্ত্রাসীদের নির্যাতন-নিপীড়ন চলছেই। তবে আমরাও স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, সরকার যতো নির্যাতন চালাবে, আন্দোলন ততো কঠোর হবে। সরকার পতনের এক দফা আন্দোলন চলবেই।
এদিকে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, কেন্দ্রীয় নেতা মুস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আবদুল লতিফ জনি, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, বেলাল আহমেদসহ ১০/১২ জন কর্মী কার্যালয়ের ভেতরে কলাপসিবল গেইটের ভেতরে অবস্থান করছেন। পুলিশ বাইরে থেকে কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না বলে জানান তিনি।